৫ হাজার সরকারি পাঠ্যবই গোপনে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ, মাদরাসা সুপারকে শোকজ
৫ হাজার সরকারি পাঠ্যবই গোপনে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ, মাদরাসা সুপারকে শোকজ
ইয়াছিন, উপজেলা প্রতিনিধি
চরফ্যাশন, ভোলা। 01752476058 ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার প্রায় ৫ হাজার পিস সরকারি পাঠ্যবই গোপনে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির সুপার মাওলানা মো. ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। সোমবার (২২ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চরফ্যাশন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল খায়ের।
নোটিশে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২০ জুন) সকাল ৭টার দিকে বন্ধ থাকা চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে প্রায় পাঁচ হাজার পিস সরকারি পাঠ্যবই সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে বইগুলো আটকে দেন।
এ সময় মাদরাসার সুপার ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া পাঠ্যবই গোপনে বিক্রির উদ্দেশ্যেই সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। পরে বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাদরাসা সুপার মাওলানা মো. ওমর ফারুক বলেন, “একটি শ্রেণিকক্ষ খালি করার প্রয়োজন হওয়ায় আমি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা বইগুলো সরানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। এগুলো ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বই নয়। স্থানীয়রা ভুল বুঝে আপত্তি জানালে আমি সেখান থেকে চলে আসি।”
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল খায়ের জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত জবাবের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ বলেন, “স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
” ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন
নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com
কমেন্ট বক্স